গল্প-কবিতা

একদিন যু*বকটা জীবি*কার উদ্দেশ্যে, মক্কার গলি দিয়ে হাঁট*ছিলো।

এক*দিন যুবকটা জীবি*কার উদ্দেশ্যে, মক্কার গলি দিয়ে হাঁট*ছিলো। হঠাত চোখে পড়লো, একটা হার পড়ে আছে। আশে*পাশে আর কেউ নেই দেখে, হার*টা উঠিয়ে নিলো। মালি*কের খোঁজে হেরেমে এলো। এমন সময় একটা ঘো*ষণা গোচরী*ভূত হলো:

-আমি এক*টা হার হারি*য়েছি। কোনও দয়ালু ভাই পেয়ে থাকলে, আল্লা*হর ওয়াস্তে ফি*রিয়ে দেবেন।

যুবকটা বললেন: আমি এ*গিয়ে গেলাম। বল*লাম: -আপ*নার হারটা কেমম, বর্ণনা দিন তো?.

বর্ণনা মিলে গেলে, হারটা হস্তা*ন্তর কর*লাম। আশ্চর্য হয়ে গেলাম, লোকটা হার*খানা নিয়ে টু-শব্দও কর*লো না। সোজা গট*গট করে হেঁটে চলে গেলো। সা*মান্য ধন্যবাদ টুকুও না।

আমি আল্লাহর কাছে বললাম:

-ইয়া আ*ল্লাহ! আমি যদি এই সা*মান্য কাজ*টুকু আপ*নাকে সন্তুষ্ট ক*রার জন্যই করে থাকি, আপনি আ*মার জন্য এর চেয়েও ভালো প্রতি*দান জমা করে রাখুন। আমীন।

এরপর আমি রুজি-রোজ*গারের উদ্দেশ্যে, জাহাজে চড়ে বসলাম। তাক*দীরের এমনই লিখন, জাহা*জ পড়লো ঝ*ড়ের কবলে। পুরো জাহাজ ভেঙে লণ্ডভণ্ড হয় গেলো। হা*তের কাছে যে যা পেলো ওটা ধরেই ভে*সে রইলো।.

আমিও ভা*সতে ভাসতে একটা দ্বীপে গিয়ে উঠ*লাম। ওখানে দেখলাম একটা মস*জিদ। মন খুশি হয়ে উঠলো। মস*জিদে গিয়ে না*মায আদায় কর*লাম। আমার তো যাও*য়ার আপাতত কোনও জায়*গা নেই। ভব*ঘুরে।

মস*জিদে একটা কুর*আন শরীফ পেলাম। বসে বসে ওটাই তিলা*ওয়াত করতে শুরু করলাম।

আমাকে কুরআন*খানা পড়তে দেখে সবাই আ*মাকে চার*পাশ থেকে ঘিরে ধরলো। অবাক হয়ে প্রশ্ন করলো:

-আপনি কুর*আন পড়তে পারেন?

-জ্বী, পারি।

তা*রা বললো:

-আমা*দের কাছে এই কুর*আন কারীম অনেক দিন ধরে পড়ে আছে। আম*রা এটা পড়তে পারি না।

আম*রা এটাকে পরম যত্নে রেখে দিয়েছি। এক নাবি*কের কাছ থেকেই আম*রা এটা কিনে*ছিলাম।.

আমা*দের এই দ্বীপে, আগে এক*জন ছিলেন, তিনি এই কুর*আন পড়তে পারতেন। ঠিক*ঠাক করা ছিলো, তিনিই সবাই*কে কুর*আন শিক্ষা দিবেন। এর*পর তিনি হজ্জে গেলেন। আর ফিরে আসেন নি। এখন আপ*নি আমাদেরকে, আমাদের সন্তান*দেরকে কুরআন শিক্ষা দিন। আমি দ্বীপের বাচ্চা*দেরকে কুর*আন কারীম শিক্ষা দিতে লাগলাম। তাদে*রকে অন্যান্য লেখা*পড়াও শেখাতে থাকলাম।

কিছু*দিন পর এলাকার মুরু*ব্বিরা বললেন:

-আমা*দের এলা*কায় একজন ইয়া*তীম মেয়ে আছে। সর্ব*গুণে গুণান্বিতা। আপনি কি তাকে বিয়ে করতে রাজি হবেন?.

-আ*মার কোনও আপত্তি নেই। আমা*দের বিয়ে হয়ে গেলো। বাসর রাতে স্ত্রীর সাথে আ*মার প্রথম দেখা। আমি তাকে দেখে কিংকর্ত*ব্যবিমূঢ় হয়ে গেলাম। দেখ*লাম তার গলায় মক্কায় কুড়িয়ে পাও*য়া সেই হার ঝুলছে। জান*তে চাইলাম:

-এই হার তো*মার কাছে কিভাবে এলো? নব*বধূ লাজুক মুখে উত্তর দিলো:.

-আ*মার আব্বু সে*বার হজে গেলেন। দুর্ভাগ্য*ক্রমে হারটা হা*রিয়ে গেলো। কিন্তু এক মহত ব্যক্তির বদান্য*তায় হারটা ফিরে পেলেন। আব্বু সব সময় তার জন্য দু আ কর*তেন:আর বলতেন

“ইয়া আল্লাহ! আ*মার মেয়ের জন্য, ম*ক্কার এই মহত ব্যক্তির ম*তো এমন একজন স্বামী মি*লিয়ে দিন”

Facebook Comments

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button