fbpx
আইন বিচারআত্মহত্যাআন্তর্জাতিকবিনোদনহত্যা
Trending

খুন হয়েছেন সুশান্ত

সুশা’ন্ত সিং রাজ’পুতের মৃত্যুর দুই মাসের বেশি পেরিয়ে গেছে। এখ’নো পুলিশ এই তারকার মৃত্যুরহস্যে’র কোনো কিনারা করতে পারেনি। ইতিম’ধ্যে অঙ্কিতা লোখান্ডে, কৃতি শ্যা’নন, পরিণীতি চোপড়া, বরুণ ধাওয়ান’রা সিবিআই তদন্ত চেয়েছেন। শুরু থেকেই সুশা’ন্তের পরিবার সি’বিআই তদন্তের দাবি তুলে আসছে। যদিও ভার’তের উচ্চ আদালত এখনো সেই অনু’মোদন দেননি। সব মি’লিয়ে যত দিন যাচ্ছে, ত’তই যেন জটিল হয়ে পড়’ছে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ত’দন্ত। এর মধ্যেই নতু’ন চমক নিয়ে এলেন সুশান্তের সাবেক ম্যানেজা’র। তিনি বলেন, সুশান্ত’কে তাঁরই কোনো কর্মী খুন করে’ছেন।

১৪ জুন মুম্বা’ইয়ের বান্দ্রায় নিজ বাসায় বলি’উডের এই তরুণ নায়কের মর’দেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাত’দন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছে আত্মহত্যা করেন সুশান্ত সিং রাজপু’ত। আত্মহ’ত্যার বিষয়টি মেনে নিতে পারছে’ন না সুশান্তের অসংখ্য ভক্ত। সেই তালি’কায় রয়েছেন বলিউ’ডের অসংখ্য তারকা থেকে রাজ’নৈতিক ব্যক্তিত্বও। এমনকি বিহার পুলি’শের ডিজিও তদন্ত শুরুর পর আত্ম’হত্যার কথা মেনে নিতে পারছি’লেন না। এমন পরিস্থিতিতে এবার সা’মনে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিনে’তাকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি ক’রেছেন সুশান্তের সাবেক ম্যানে’জার অঙ্কিত আচার্য।

রাজনৈ’তিক প্রচারের স্বার্থে অর্থ আত্ম’সাতের ঘটনা এই খুনের কারণ বলে মনে করেন অ’ঙ্কিত। এমনকি সুশান্তে’র নিজেরই কোনো কর্মী তাঁকে খুন করেছেন বলে দাবি করে’ছেন অঙ্কিত। ভারতের সংবাদমাধ্য’ম ই-টাইমস এবং টাইমস নাও–এর অন’লাইন সংস্করণ এবং চ্যানে’লে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনই চাঞ্চল্যকর কথা ব’লেছেন অঙ্কিত। দরজা না ভেঙে, চাবি এনে সুশা’ন্তের দেহ উদ্ধার করা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, সুশান্ত কোনো দিনও দরজা বন্ধ করে ঘুমাতেন না। সুশান্তের সাবেক ম্যানে’জার আরও জানান, সুশান্ত আগামীকাল তিনি কী করবেন, তাঁর তালিকা আগে থেকেই তৈরি করে রাখতেন।

সাক্ষাৎকারে অঙ্কি’তের আরও দাবি, তাঁকেও খুনের হুমকি দিয়ে ফোন করা হচ্ছে। সুশান্ত সিং রাজ’পুতের মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললে তাঁরও একই হাল হবে বলে ফোনে হুমকি এসেছে একাধি’কবার। চার দিন আগে এক অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে তাঁর কাছে। সুশান্তের অস্বাভাবিক মৃত্যুকাণ্ডের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করলে তাঁ’কে প্রাণে মারার হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানান অ’ঙ্কিত।

অঙ্কিতের ভাষায়, ‘সু’শান্ত কোনো দিন দরজা বন্ধ করে ঘুমা’তেন না। যখন আমি থাক’তাম, আমি পাশের ঘরেই ঘুমাতাম। প্রতি’দিন ভোর চারটায় আমি তাঁকে ডেকে তুল’তাম। তিনি বই পড়তেন, গেম খেলতেন অথবা সিনে’মা দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়তেন। ১৪ জুন কর্মীরা ১০টা থেকে ২টা পর্যন্ত সাড়া না পেলে দরজা ভাঙে’নি কেন?’ পাশাপাশি সুশান্তের কর্মী দী’পেশকে নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি। অঙ্কিতের দাবি, সুশান্তের মরাদে’হ বের করার সময় দীপেশের হাতে একটা কালো ব্যাগ ছিল। সেখানে’ই হয়তো প্রমাণ লুকিয়ে রাখা হয়ে’ছে বলে তাঁর মত।

অঙ্কিতের আরও দাবি, সুশান্তে’র মন খারাপ হতো। মাঝে’মধ্যেই মায়ের কথা মনে পড়লে তিনি কাঁদতেন, কবিতা লিখতেন, কিন্তু তিনি অবসাদগ্র’স্ত ছিলেন এ কথা বলা যায় না। অঙ্কিতের সন্দেহের তা’লিকায় সুশান্তের রাঁধুনি দীপেশও আছেন। যাঁকে এরই মধ্যে একবার জে’রা করেছে ভারতের অর্থনৈ’তিক আইনকানুন প্রয়োগ ও আর্থিক অপরাধ দমন’সংক্রান্ত সংস্থা এনফো’র্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

Facebook Comments

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button