অর্থনীতিপরিবেশ ও জীববৈচিত্রফরিদপুরবাংলাদেশরাজনীতিসমগ্র ঢাকাস্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Trending

জীবনে*র ঝুঁকি নিয়ে মা*নুষের মাঝে করোনা*যোদ্ধা নিক্সন চৌধুরী

দে*শে করোনা দুর্যো*গ শুরু হ*ওয়ার পর থেকে*ই যেখানে অনেক সাংস*দ, মন্ত্রী ও রাজনৈতি*ক নেতাদের দে*খা মিলছে না। সেখা*নে জীবনে*র ঝুঁকি নিয়ে নির্বাচ*নী এলা*কার প্রতিটি মানুষের দ্বা*রে দ্বারে গিয়ে খোঁজ খবর নি*চ্ছেন ফরিদপু*র ৪ (ভাঙ্গা, সদর*পুর ও চরভদ্রাস*ন) আসনের সংস*দ সদস্য মুজিবুর রহমা*ন চৌধুরী নিক্সন।

করোনা*র ভয়কে উপে*ক্ষা করে তিনি প্রতিদি*ন তিনটি উপজেলা*র মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটে যা*চ্ছেন। খাদ্য, আর্থি*ক সহায়তার পাশাপা*শি স্বাস্থ্য সুরক্ষা*র জিনিষপত্রও বি*লি করছেন। অস*হায় দরিদ্র মানুষের পাশা*পাশি মধ্যবিত্ত*দেরও সার্বিক সহায়*তা করছেন তি*নি। তার এই কর্ম*কান্ডের কারনে এলা*কার মানুষ তাকে করোনা*যোদ্ধা এমপি হিসাবে দেখ*ছেন।

দেশে*র করোনা আক্রা*ন্তের জেলা হিসাবে মাদারী*পুর অন্যতম। আর মাদা*রীপুরের পাশের উপ*জেলা ভাঙ্গা, সদ*রপুর ও চর*ভদ্রাসন হওয়ায় এখানে আক্রা*ন্তের সংখ্যাও বেশী। তাই প্র*থম থেকেই ঝুঁকি নিয়েই এমপি মু*জিবুর রহমান নিক্স*ন ও উপজেলা পরি*ষদ, স্বাস্থ্য বিভা*গ একসাথে কা*জ করছে।

ভাঙ্গা উপজে*লায় দ্বিতীয় দফায় রেড*জোন ঘোষনা করে পৌর এলাকা লক*ডাউন চলছে। ফরি*দপুরের ৯ উপজে*লার মধ্যে ক*রোনা আক্রান্তের সং*খ্যায় ফরিদপুর স*দর ও মৃত্যের সংখ্যায় ভাঙ্গা উপজে*লা এগিয়ে। ফরিদ*পুরের জেলা প্রশাসক অ*তুল সরকার জানান, ভা*ঙ্গা পৌর এলা*কার জনসং*খ্যার ৪০ শতাংশই করোনা আক্রা*ন্ত বলা চলে।

তাই এই এলা*কাকে অধিক ঝুঁকি*পূর্ণ (রেডজোন) ঘোষ*না করে গত ১৬ জুন থেকে লক*ডাউন করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় লকডা*উনের পরে ঠিক প্রথম দ*ফার মতই ঢাকা থেকে নিজ বাড়ি*তে ফিরে আসেন এমপি নিক্স*ন চৌধুরী। লকডা*উনে কর্মহীন হয়ে পরা মানু*ষদের খাবার, চিকিৎসা*সহ প্রয়োজনীয় জিনিস*পত্রের ব্যবস্থা কর*ছেন।

ইতি*মধ্যে ১৬০টি পরিবা*রের মাঝে খাদ্য সহায়তা দেয়া হ*য়েছে। ৩ দিন পর পর এসব পরি*বারে খাবার পৌছে দেয়া হবে। এদি*কে প্র্রথম দফায় চলা ল*কডাউনে তিন উপজেলার দুর্গম চরা*ঞ্চলে নিজ হাতে খাবার পৌছে দি*য়েছেন। কর্ম*হীন হয়ে পড়া মানুষ*দের আর্থিক সহায়তা-খাদ্য সহায়*তা দিয়েছেন। তৈরৗ করেছেন স্বে*চ্ছাসেবক দল। যারা ফোন পেলে খাদ্য সামগ্রী*সহ প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র নিয়ে হাজি*র হয়ে যায় অসহায় মানুষে*র বাড়িতে।

এছাড়া*ও তিন উপজেলা পরিষদ, জেলা প্রশাসকে*র কার্যালয় ছাড়াও গুরুত্ব*পূর্ন স্থানে জীবানুনাশক টানেল তৈ*রী করেছেন।
নিজ অর্থায়*নে সেনিটাই*জার, মাস্ক, পিপিই ক্র*য় করে, প্রশাসন, পুলিশ, চিকি*ৎসক, স্বাস্থ্য কর্মী, গনমাধ্যম*কর্মী ও স্বেচ্ছাসেব*কদের মাঝে বিত*রণ করে*ছেন।

তার নির্বা*চনী এলাকা ভাঙ্গা উপজে*লা সদরে দ্বিতীয় দফায় রেড*জোন ঘোষনা করেছে সরকার। সেখা*নে চলছে সাধারণ ছুটি*সহ লকডা*উন। লকডা*উনের আওতাভু*ক্ত এলাকায় ৩ দিন পর পর অস*হায়, দরিদ্র ও কর্মহীন পরিবা*রের মাঝে ১০ কেজি চা*ল, ডাল, আলু, সব্জি পৌ*ছে দিচ্ছে নিক্সন চৌধুরীর স্বেচ্ছাসে*বক দলের সদস্যরা। এস*বই করা হয়েছে এমপি নি*ক্সন চৌধুরীর নিজস্ব তহবি*ল থেকে।

সাংস*দ মুজিবুর রহ*মান চৌধুরী নিক্স*ন বলেন, রাজনীতিটা শি*খেছি পরি*বার থেকে, ছোট বেলা থেকে*ই দেখেছি বাবা-বড় ভা*ইদের মা*নুষের সেবা কর*তে। রাজ*নীতি করতে আসছি তো মানু*ষের জন্য, এই দুর্যোগ*কালে মানুষের পাশে না দা*ড়ালে আর কখন দাঁ*ড়বো। প্রধা*নমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা প্রতিনি*য়ত কাজ করে যাচ্ছি যাতে এই দুর্যো*গে একটি মানুষও খাদ্য ক*স্টে বা অসহায় অ*বস্থায় দিন পার না ক*রে। আ*মাদের এই চেষ্টা অ*ব্যাহত থাক*বে।

তিনি আ*রো বলেন, আমার নির্বা*চনী এলাকা*র ভাঙ্গা পৌর এলাকায় দ্বি*তীয় দফায় লকডাউন চ*লছে। লকডা*উন দেয়ার আগে প্রতিদিন গড়ে ২৫ জন রুগী শনা*ক্ত হত, এখন অনেকটা কমে আসছে আক্রা*ন্তের সংখ্যা। লকডা*উন আরো কিছুদিন রাখলে এই এলা*কার করোনা পরিস্থিতি আ*রো উন্নতি ঘটবে। লক*ডাউন চলাকালীন দরিদ্র, অস*হায় ও কর্মহীন পরিবার*কে খাদ্য ও নিত্যপ্র*য়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে কোন চি*ন্তা করতে হবে না।

আমি নিজে সে*সব পরিবার খুজে খুজে খো*জ নিচ্ছি, আমার নেতা*কর্মীরা খোজ নিচ্ছে, আর স্বেচ্ছা*সেবক দল তো আছেই। ল*কডাউন যত*দিনই চলুক, মাননীয় প্রধা*নমন্ত্রীর নির্দেশ একটি প*রিবারও যেন ক্ষুদা*র্ত না থাকে, সেই ল*ক্ষে কাজ করছি আমি ও আমার ক*র্মীরা। এই কাজ*টি যাতে সঠিক ভাবে স*ম্পন্ন হয় সে জন্য এলা*কায় ফিরে এ*সেছি।

Facebook Comments

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button